সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বাজার - অমরেশ বিশ্বাস

বাজার - অমরেশ বিশ্বাস অমরেশ বিশ্বাস এর ছড়া :  বাজার বাজেরে গিয়ে হটাৎই যেন মাথাটা ঘুরে গেল পড়ে যেতে দেখেই সবাই দৌড়ে ছুটে এল। কী হয়েছে, কী হয়েছে, পড়ল কেমন করে? কেউ বলে, যা নিয়ে আয় তো ডাক্তারকে ধরে। কি হয়েছে, পড়ল কেন? জানা তা দরকার বাজারে এখন এমন ঘটনা ঘটছে যে আকছার। ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিল কেউ বা দিল হাওয়া কেউ জানতে চায় সকালে কী হয়েছে খাওয়া? ততক্ষনে ডাক্তার বাবু হাজির হলেন এসে “কী হয়েছে?” চান জানতে শুকনো হাসি হেসে। ডাক্তারকে তখন খুলে বলল আত্মারাম ভাবিনি হবে ডালের এমন আকাশ ছোঁয়া দাম। বলুন দেখি তেলের দাম কোথায় গেছে চড়ে এমন যদি দাম হয় তবে কে যাবে না পড়ে? মাছ, মাংসের দামের কথা আর বলতে চাইনে বলা মুশকিল ও সব জিনিস কত কাল যে খাইনে। রাজভোগ নয়, শুধু দু-মুঠো ডাল ভাতই তো চাই দাম দেখে তো, হচ্ছে মনে তা ও ভাগ্যে নাই। পাঁচশ টাকার কড়কড়ে নোট ফুরোয় নিমেষেতে কত না ঘাম হয় ঝরাতে এক খানা নোট পেতে। সব জিনিসের দাম বাড়ছে হোক সে আলু, পেয়াজ হয় না কেন মানুষের দাম বাড়ার কোন রেওয়াজ। ডাক্তার বাবু, বাজারে এলেই বাড়ে রক্ত চাপ ছাপোষা সব মানুষ গুলোর বাঁচাই যেন পাপ। -------xx------

ক্রান্তি - দীপঙ্কর বর্মন

ক্রান্তি - দীপঙ্কর বর্মন দীপঙ্কর বর্মনের ছড়া -  ক্রান্তি আকাশ মাঝে বিষাণ বাজে যুদ্ধ-জাহাজ ক্ষুব্ধ সাজে ব‌ইছে জোয়ার গাঙে মানুষ কাঁদে মারণ-ফাঁদে উষ্ণায়ণের নিস্ব বাঁধে শব্দে পাহাড় ভাঙে বাড়ছে শোষণ শাসন কালে, তান্ত্রিকতার মৌন জালে, বুর্জয়াদের ছলে; লড়ছে কিষাণ নিশান তুলে, যৌক্তিকতার তন্দ্রা ভুলে, সর্বহারার দলে। করছে আদল মাতাল তাঁরে, বর্বরতার অন্ধকারে, ভ্রষ্টাচারীর সাজে; বাজছে মাদল এ ঘোর রণে, রক্তিমতায় চণ্ডঞ্জাণে, শিক্ষা দেবার কাজে। আসছে তূফান ভীষণ দুলে, মৌলিকতার ঝাণ্ডা তুলে স্বত্বাধিকার বলে; হাসছে গোপাল রাখাল ছেলে, মিথ্যাচারের পাণ্ডা কেলে, ব্যাঙ্গবিকার ছলে। ঐ তো আসে ক্ষুব্ধ রাতে, চণ্ডাকালীর খড়্গ হাতে, ভীমরণে ভীম সেনা; ঐ তো ভাসে প্রেক্ষাপটৈ, ভণ্ডাচারীর স্বার্থ বটে বাড়ছে দশের দেনা আসছে ধেয়ে আসছে গেঁয়ে, মৎস্য-জীবির নৌকা বেয়ে, অগাধ মনের বলে; আসছে সারে আসছে ভারে, মসনদের ঐ সিংহ দ্বারে, শ্রমিক-কৃষক-জেলে। ভূঁইতে আলো মনমাতালো, রং-বেরংয়ের সোলতে গুলো, ক্ষীন দোটানায় জ্বলে, নাই তো ভালো ধূম ছড়ানোয়, চোখ ধ়াধাঁনোয় ভূত ভাবানোয়, প্রাণবায়ু যায় চলে। হয়তো কেহ সেবায় ভোলে, দাম্ভিকতার ঠান্ডা ঘোলে, আচ্ছা প্রবীণ ...

দুইটি ছড়াক্কা - সুমী চট্টোপাধ্যায় দাস

দুইটি ছড়াক্কা - সুমী চট্টোপাধ্যায় দাস সুমি চট্টোপাধ্যায় দাস -  দুই ফারাক্কা ১) খরস্রোতা দেখব বলে নদীর ছোটা পৌঁছে গেলাম ফারাক্কা, খুব খুশিতে উছলে নদী বলল আমায়, এলিই যদি বলিস গিয়ে দামোদরে পাচ্ছে প্রচার ঘরে ঘরে বাদল-ভরা নদের মতো দুর্গাপুরের ছড়াক্কা৷ ২) শহীদ বুকের রক্ত ঢাললো যাঁরা স্বাধীনতার শ্বেতবেদীতে ভুললে তাঁদের চরম পাপ, নেই যে ক্ষমা, নেই যে মাপ, আত্মদানের ফুলবাগিচা গোলাপ ফোটায়, ব্যথার খোঁচা! স্মরণ করি, বরণ করি শহীদগণে শুদ্ধ চিতে৷

প্রজন্ম বচন - কাজী মাসুদুর রহমান

প্রজন্ম বচন - কাজী মাসুদুর রহমান কাঁচি মাসুদুর রহমানের ছড়া :  প্রজন্ম  বচন মায়ের কোলে খোকন দোলে চাঁদ উঠেছে ঐ, বাঁশ বাগানে জোনায় জ্বলে সেদিন গেল কৈ। শ্লোক গাঁথায় হৃদয় কাঁদায় কাজলা দিদি নাই, কোথায় গেলে শ্যামল কালো জোছনা আঁধার ভাই। সেদিন গেছে কালের পিছে রুপ কথাদের গাঁয়, পল্লী মায়ে অশ্রু বয়ে ডিজিটালে খায়। এখন খোকন যখন তখন আঁচল ছিঁড়ে যায়, কিসের খাওন কথন বচন মোবাইল কার্টুন চায়। খোকার গড়ন আচার চলন সৃজন মানে না, লেখা পড়ায় দামি ঘোড়ায় পিতায় মাতে না। ক্ষেতের বাঁধে লাংগল কাঁধে মৃদু পায়ে বয়, হায়রে জীবন!কিসে মরন?বৃদ্ধ পিতা কয়। চাষের ফাঁকে স্মৃতি আঁকে একান্নতার মায়ায় নকশিকাঁথায় মনটা কাঁদায় ভাই-বোনদের মেলায়। পাকা ধানে উঠান পানে ভরা নদীর বাঁকে, তালের পাখায় মনটা জুড়ায় গল্প কথার ঝাঁকে। শ্যামা দোয়েল কোকিল কোয়েল বৌ-কথা কও বনে, মায়ের গলায় ভুবন ভুলায় পুঁথি গীতি শুনে। আকাশ পানে কষ্ট প্রাণে হৃদয় ভারে শোকে, পথের সাথী সমব্যথি আশ্রমে জীবন ধোকে। ---------xx--------

আকাশের নীলে তারা - বাসুদেব খাস্তগীর

আকাশের নীলে তারা - বাসুদেব খাস্তগীর বাসুদেব খাস্তগীর :  আকাশের নীলে তারা আকাশ মেখেছে গায়ে নীল রঙ অপরূপ তার রূপ নীল যেন ঝরে পৃথিবীর বুকে আনন্দে টুপ টুপ। আকাশের বুকে এতো কেনো নীল? প্রশ্নটা জাগে মনে কিছু নীল এনে পৃথিবীর বুকে দিতে চাই জনে জনে। অগণন তারা জ্বলজ্বল করে আকাশের বুকে হাসে আকাশ তো নয় একাকী কখনো কতো তারা তার পাশে। আকাশের নীল হতে যদি পারি হাসতো এ বুকে তারা আকাশ বলছে 'শোন হে খোকন হয়ো না আত্মহারা। মন করো সাদা ফুটবে সাদায় মনের আকাশে নীল সাদা মনে নীল তারায় তারায় করবেই ঝিলমিল।' ---------xx-------

কেন এ যুদ্ধ - সতীশ বিশ্বাস

কেন এ যুদ্ধ  - সতীশ বিশ্বাস সতীশ বিশ্বাস এর ছড়া -  কেন এ যুদ্ধ কেন এ যুদ্ধআমি ছোট শিশু ভালবাসি খেতে টফি ও লজেঞ্চুষ, জানি না ওসামা-বিন-লাদেন কে, চিনি না কে জর্জ বুশ। আমি শুধু দেখি টিভির মধ্যে অনাথ শিশুর মুখ, দেখতে দেখতে চোখে জল আসে, টন টন করে বুক। আমার সঙ্গে ওই শিশুটির তফাত তো নেই কোন আমার মতই শরিরটা ওর , আমার মতই মনও। আমাকে যেমন ভালোবাসে বাবা, ওকে বাসে বাপজান, আলাদা শুধুই দেশ আমাদের ভারত ও আফগান। কেন এ যুদ্ধ? আর কোন পথ নেই কি যুদ্ধ ছাড়া? যুদ্ধ লেগেছে বলেই তো আজ এত শিশু ঘরহারা যুদ্ধ লেগেছে বলেই তো আজ শিশুদের চোখে জল, হাজার হাজার শিশুর স্বপ্ন হয়ে গেল নিষ্ফল। বড়দের হাত না-ই যদি কাঁপে ছোটদের প্রাণ নিতে, বল না মা, ছোটরা কীভাবে বাঁচবে এ পৃথিবীতে? -------xx------

বরষা - মিতালি রায়।

বরষা - মিতালি রায় মিতালি রায়ের ছড়া :  বরষা পুবের হাওয়ায় শুনতে যে পাই তাহার চরণধ্বনি সে সুন্দরের পরশখানি পাওয়ার আশায় আজ দোপাটি আনন্দেতে দুলছে দোদুল গাঁথছে মালা বরষার ফুল প্রতীক্ষা কি শেষ হল আজ দীর্ঘ প্রহর গুণি !

গদাধর সরকার : যে মেয়েটা

যে মেয়েটা : গদাধর সরকার গদাধর সরকারের ছড়া -  যে মেয়েটা যে মেয়েটা ছড়ায় সাগর পারুল চাঁপার মনে যে মেয়েটা খুশির খবর পাঠায় হলুদ বনে যে মেয়েটা ঘুরে বেড়ায় শিরিন নদীর বাঁকে যে মেয়েটা আপন মনে উদাস দুপুর আঁকে যে মেয়েটা ধুলো ওড়ায় কুসুম পুরের পথে যে মেয়েটা আবির ছড়ায় লাজুক মনের মঠে যে মেয়েটা সাহস জাগায় আশার প্রদীপ জ্বেলে যে মেয়েটা রামধনু মন । সরায় আঁধার ঠেলে যে মেয়েটা রূপকথা পুর । নুপুর পরে নাচে যে মেয়েটা সোহাগ দিয়ে ফোটায় কুঁড়ি গাছে যে মেয়েটা রোদের কুচি ছড়ায় নদীর কুলে যে মেয়েটা মনের আগল সদাই রাখে খুলে যে মেয়েটা শালুক ফুলের আদর ভালোবাসে যে মেয়েটা খুশির পালক ছড়ায় সবুজ ঘাসে যে মেয়েটা টগর, পলাশ, তিতির পুরের ছুটি যে মেয়েটা নদীর সাঁকো । বুনো হাঁসের জুটি যে মেয়েটা সাঁতার কাটে গাঁয়ের পুকুর ঘাটে যে মেয়েটা কাগজ কুড়োয় নিঝুম পুরের হাটে যে মেয়েটা ঝুমঝুমি ভোর, কেবল কাছে ডাকে সেই মেয়েটাই বাঁশি আমার । হৃদয় জুড়ে থাকে

সাঈদুর রহমান লিটন - কাজের মেয়ে চারু

সাঈদুর রহমান লিটন - কাজের মেয়ে চারু ছড়াকারের কণ্ঠে ছড়া পাঠ। বাসন মাজে কাপড় কাচে মেঝে ও দেয় ঝাড়ু, সারাটা দিন চলতে থাকে কাজের মেয়ে চারু। বাজার করা রান্না করা এদিক ওদিক হলে, শর্তবিহীন চাকুরী তার এমনিতেই যায় চলে। মাথায় থাকে কাজের পাহাড় মেম সাহেবের ঝাড়ি, কাজ কর্ম সব ফেলে দিয়ে মন চায় যেতে বাড়ি। চোখের জলে বুক ভিজে যায় এঁটোবাসি খাওয়া, কাজটা ছেড়ে চলে গেলে জীবন রুটির তাওয়া? মাসের শেষে বাবা এসে বলবে দে মা টাকা, অল্প হলেও চারুর টাকায় ঘোরে বাড়ির চাকা।

লঘু গুরু - আলী হোসেন

লঘু গুরু - আলী হোসেন আলী হোসেনের ছড়া :  লঘু গুরু তুমি বন্ধু কাছের মানুষ, বলতে পারো সবই ইচ্ছা করলে পক্ষে বলো যেমন ইচ্ছে তেমন চলো ইচ্ছা করলে বিপক্ষেও আমার কিন্তু পক্ষে ছাড়া, বলতে নিষেধ সবই তুমি বন্ধু কাছের মানুষ, একটুখানি হেসে দু'হাত তুলে গাইতে পারো দরকারে হাত তুলতে পারো যেমন ইচ্ছা বলতে পারো আমায় কিন্তু যেতে হবে, শুধুই ভালোবেসে তুমি ভালোবাসতে পারো, তোমার মধ্যে মিশে থাকতে পারি যেমন খুশি বলবে না লাভ-জিহাদ-দূষী আমার মধ্যে তুমি এলেই সমাজ যে যায় রসাতলে, দেশ ভরে যায় বিষে আমার মধ্যে তোমার আসা, তোমার মধ্যে আমি লক্ষ বছর বেঁচে আছি ভ্রমর হয়ে কাছাকাছি বুঝছি না কে তুলে দেওয়াল পর করেছে কেউ জানেনা, কেবল জানে অন্তর্যামী ----------x---------- ছড়াকারের আরও ছড়া পড়তে এখানে ক্লিক করুন

হাতটা ধর - ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য

হাতটা ধর - ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য   ইন্দ্রানী ভট্টাচার্যের ছড়া :  হাতটা ধর মনে আজ ধরতাই ঝাঁপতালে ফিরে যাই সেই শৈশবে একে দু'য়ে তিন চার মিলে মিশে একাকার হই বৈভবে জুড়ে জুড়ে চৌখুপি পরে নিয়ে সেই টুপি খুব হেঁটেছি হারাবার ভয় নেই খুশির দুহাতে যেই রঙ বেটেছি হাতে সব হাত ধর গোলটাই বড় কর পৃথিবী-সমান ছোট ছোট সুখ গুলো ভাগ করে বড় হল আকাশ প্রমাণ কালো রাত সব জেনে বিষাদকে নিল টেনে বুকের ভেতর ৷ আমরাও ঋণী থাকি যাপনের স্রোত মাখি হবে ভেবে ভোর -----xx----

কুড়িয়ে পাওয়া ঘুড়ি - মুন্সী সাদিক সালেহ

কুড়িয়ে পাওয়া ঘুড়ি - মুন্সী সাদিক সালেহ   মুন্সী সাদিক সালেহ -  কুড়িয়ে পাওয়া ঘড়ি কাঁটা তারের ওপর দিয়ে ঘুড়ি- ওড়াচ্ছে কে নীলাকাশটা জুড়ি? ঢাউস ঘুড়ির ওড়ার বাহার দেখে গাংচিল কি অমনি উড়তে শেখে? রঙ্গিন যে তার ঝালরগুলো বেশ! তারচেয়ে কি রঙ্গিন ঘুড়ির দেশ? ভাবতে ভাবতে হঠাৎ দেখি ছিঁড়ে ঢাউস ঘুড়ি ছুটছে ধীরেধীরে! সুতোকাটায় গোত্তা খেতে খেতে সাধের ঘুড়ি আছড়ে পড়ল ক্ষেতে। দৌড়ে গিয়ে কুড়িয়ে নিলাম তাকে বন্ধুরা সব জুটলো আমার ডাকে। অবাক হয়ে দেখছি ঘুড়ির দেহে সোনার বাংলা লিখলো তাতে কে হে? তার মানে কি ঘুড়ির দেশেও রবি- এঁকেছিলেন সোনার বাংলার ছবি? কুড়িয়ে পাওয়া ঘুড়ি বলছে, খোকা- এমন করে ভাবছিস কিরে বোকা? এদেশ ওদেশ দুই দেশেতেই উড়ি, দুই দেশেতেই আমার নামটি ঘুড়ি। কাঁটাতারের বেড়ার সাধ্যি কি রে রাখতে পারে আমায় আটকে ঘিরে? সোনার বাংলা টুকরো করলো যারা ঘুড়ির খবর জানতো নাকি তাঁরা? বাহ কি মজা আমিও হব ঘুড়ি ইচ্ছেমতো উড়বো আকাশ জুড়ি। এপার বাংলা ওপার বাংলা মিলে 'সোনার বাংলা' ঠাকুর লিখেছিলে। আমার সোনার বাংলাই ভালোবাসি হাজার জন্মে বাংলায় ফিরে আসি।

গাঁয়ে এসো - ফজলুল হক মিলন

গাঁয়ে এসো - ফজলুল হক মিলন   ফজলুল হক মিলনের ছড়া :  গাঁয়ে এস তোমার জন্য শেষ বিকেলের রোদ হালকা ভেজা নরোম মেঘের আদর মিহি বাতাস মুগ্ধ পরশ মাখা দোল খাওয়া এক সবুজ মাঠের চাদর! মন ভরাবে দোয়েল পাখির শিষ চুপটি করে কলমী ফুলের বনে গঙ্গাফড়িং ধরতে যাবে যখন অনেক স্মৃতি পড়বে তোমার মনে। একটু আগাও - শাপলা ফোটা দিঘি ডাকবে কাছে মুচকি হাসি হেসে কাশবাগানের পাশ কাটিয়ে গেলে মটরশুটি টানবে ভালোবেসে। কলাই ফুলও হেসে কুটিকুটি বেলাশেষে শিশির ছোঁয়া পেয়ে ডাক দিবে আয়, আমন ধানের ক্ষেত ডাক দিবে আয়- প্রজাপতির মেয়ে। তাদের সাথে কাটবে বেলা ভালো গড়িয়ে বিকেল সন্ধ্যে যখন নামে জোনাকীরা গান শোনাবে তোমায় একটা চিঠি পাবে হলুদ খামে চিঠির ভাঁজে থাকবে গোলাপ কলি গাঁয়ে এসো - তাইতো তোমায় বলি । -------xx-------

চাকরি চাই - অমরেশ বিশ্বাস

চাকরি চাই - অমরেশ বিশ্বাস অমরেশ বিশ্বাস এর ছড়া -  চাকরি চাই লোকে বলে পুজো এলে সবাই খুশি হয় বলে বলুক লোকে তবে সত্যি মোটেই নয় ব্যথা যে খুব আমার বুকে কেমন করে বলি মুখে টাকাকড়ির আমাদানি নাই না আছে সঞ্চয়। ছেলেমেয়ে তাকিয়ে ঠায় বউ চেয়েছে শাড়ি ব্লেড কেনার পয়সা যে নাই মুখে লম্বা দাঁড়ি কেমন করে বায়না মেটাই এবার আমার হবে পেটাই বাঁচতে হলে বেচতে হবে বাপের ভিটে বাড়ি। পুজো এলে আনন্দেতে ভাবি ভেসে যাই কারখানাটা খুলবে কবে তা তো জানা নাই বছর বছর পুজো আসে আমার দুচোখ জলে ভাসে দুগগা মা'কে বলব এবার একটা চাকরি চাই। --------xx--------

দাড়ি দ্রিম দ্রিম - সৌমিত্র চক্রবর্তী

দাড়ি দ্রিম দ্রিম - সৌমিত্র চক্রবর্তী   সৌমিত্র চক্রবর্তী এর ছড়া কোনো দাড়ি খোঁচা খোঁচা কোনো দাড়ি লম্বা কোনো দাড়ি কুচিপুডি কোনো দাড়ি সাম্বা। কোনো দাড়ি সাদা কালো সরষের বাহারে কোনো দাড়ি ঘষে দিলে লোকে বলে বাবা রে! কোনো দাড়ি পলিটিক্স কোনো দাড়ি গুন্ডা কোনো দাড়ি টুকটাক থুতনির ফান্ডা। কোনো দাড়ি নূর আর কোনো দাড়ি চাইনিজ কোনো দাড়ি মেছো বাস ফ্রেঞ্চকাট গোয়ানিজ। কোনো দাড়ি ঘেমো ছি কোনো দাড়ি সেক্সি কোনো দাড়ি চাটগাঁর শুঁটকির ফ্লেক্সি। কোনো দাড়ি সোনা রং টিন এজ রেশমি কোনো দাড়ি ফিসফিস কুল বেবি কিস মি! কোনো দাড়ি হাইফাই লিমোজিন বস কে কোনো দাড়ি চোরাগলি ভয় পাওয়া ছিঁচকে। কোনো দাড়ি টিপটপ ফিল্মের ডায়ালগ কোনো দাড়ি অগোছালো কবিদের ক্যাটালগ। কোনো দাড়ি উগ্র কোনো দাড়ি শান্ত কোনো দাড়ি গিলে খায় বাপ্রে কে জানতো! দাড়ি কথা শেষ করে কার এত সাধ্যি চোদ্দয় পড়লেই মুখে দাড়ি বাদ্যি।

আলী হোসেন। দুই ছড়াক্কা

ছড়াকার আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়া, ছড়াক্কা  অলীক সুখ - আলী হোসেন মুখের আড়ালে অন্য মুখ তাতেই দেখাও অলীক সুখ মুখোশ পরে বাসছো ভালো মাখিয়ে মুখে চাঁদের আলো আড়াল থেকে মারছো ছুরি করছো আমার পুকুর চুরি তাতেই নাকি পালটে দেশে আসবে সে এক নতুন যুগ! দেখাও, এযুগেরই নায়ক তুমি স্বপ্নপুরির সোনার মুখ বলছো তুমি রাজার মত সারিয়ে নাকি বুকের ক্ষত রথ ছুটিয়ে আসছো তুমি গড়তে নতুন ভারত ভূমি যাতে, ভোগ করবে এদেশবাসি মর্ত্যে বসেই স্বর্গসুখ! ---------x---------- ছড়াকারের আরও ছড়া পড়তে  এখানে ক্লিক করুন

রাজা সাজা - রূপক চট্টরাজ

রাজা সাজা - রূপক চট্টরাজ রূপক চট্টরাজের ছড়া :  রাজা সাজা রাজা সাজার শখ হয়েছে মুকুট কোথায় পাব সেই কথাটা ভাবছি আমি তুমিও একটু ভাবো রাজা সাজার শখ হয়েছে সৈন্য কোথায় পাব সেই কথাটা ভাবছি এখন তুমিও একটু ভাবো রাজার ছিল হাতি-ঘোড়া এখন কোথায় পাব সেই কথাটা ভাবছি আমি তুমিও একটু ভাবো রাজার ছিল ঢাল-তলোয়ার এখন কোথায় পাব সেই কথাটা ভাবছি আমি তুমিও একটু ভাবো রাজার এখন কামান বিমান সুইচ বোমা রকেট না হয় আনবে বিদেশ থেকে ভর্তি এখন পকেট কাচের ঘরে বসেই সুইচ টিপেই দেবে সাজা ধ্বংস করেই যুদ্ধ জয় করবে সুইচ রাজা

এই মুঠোতে - মালিপাখি

এই মুঠোতে - মালিপাখি মালি পাখির ছড়া -  এই মুঠোতে এই মুঠোতে অবাধ খুশি । চাঁদনি মনের আলো ! এই মুঠোতে তোমরা সবাই গানের মতো ভালো !! এই মুঠোতে টুনটুনি,বক, ঢেউ মোড়া ধান পাখি ! এই মুঠোতে ডুগডুগি মন। একলা জেগে থাকি !! এই মুঠোতে শাপলা পুরের রাখাল বাজায় বাঁশি ! এই মুঠোতে মোহর ছড়ায় কুরচি ফুলের হাসি !! এই মুঠোতে বাজনা গাঁয়ের শিউলি বাতাস ওড়ে! এই মুঠোতে ঝালকাঠি ভোর ছুটছে ঘোড়ায় চড়ে!! এই মুঠোতে কাঠবেলি, যুঁই, শিউলি, টগর ফোটে এই মুঠোতে আকাশ পুরের কু ঝিকঝিক ছোটে ! এই মুঠোতে কেবল নাচে ঝিমলি রাতের তারা ! এই মুঠোতে মেঘনা, ঘাঘট, রূপসা নদীর ধারা !! এই মুঠোতে মায়ের আদর,খোকন কোথায় যাবি এই মুঠোতে জলছবি ঘাস, পালকি পুরের চাবি ! এই মুঠোতে চাঁদের পাহাড়, ক্ষীরের পুতুল খেলা ! এই মুঠোতে হাতছানি দেয় সেই যে কিশোরবেলা!!

ছুটির পরে - নিলুফার মতিন

ছুটির পরে - নিলুফার মতিন ছুটির পরে -  লিলুফার মতিন ঢং ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে পড়ালেখা ছুটি রঙ রঙ রঙ নানা সাজে ফুল হয়ে আয় ফুটি শোন শোন শোন বিকেলবেলা আয়রে সবাই জুটি দূর দূর দূর মাঠের পরে খেলবো লুটোপুটি। কল কল কল নদীর মত আয় নারে সুর তুলে বল বল বল প্রাণের কথা বল না মন খুলে। লাল লাল লাল সুর্য ডোবে পশ্চিমাকাশ পরে চল চল চল দল বেধে সব যাই ফিরে যাই ঘরে।

কাকলি গুহ রক্ষিত। ছড়াক্কা।

এখনও বসন্ত আসে - কাকলি গুহ রক্ষিত   কাকলি গুহ রক্ষিত। ছড়াক্কা। এখনও পলাশের রঙ লাল এখনও মাঝি ধরে থাকে হাল এখনও কোকিলের ডাক শুনি এখনও মাস দিন ক্ষণ গুনি চারিদিকে গোলা বারুদের গন্ধ প্রতিবাদ কলকারখানা বন্ধ তবুও তো বাগানে ফুল ফোটে চাঁদ ওঠে,হেসে ওঠে আগামীকাল।

📚 ছড়াকার অনুযায়ী ছড়া খুঁজুন 🔍👈 এখানে ক্লিক করুন

আরও দেখান

📙 ছড়ার নাম অনুযায়ী খুঁজুন 🔍👈 এখানে ক্লিক করুন

আরও দেখান

============🔰 প্রধান সম্পাদকের কথা 🔰=============


আলী হোসেন
===================
প্রধান সম্পাদক,
বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন,
সমাজ বদলাবে - এটাই চিরন্তন। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই শুরু হয়েছে এই বদলে যাওয়ার যাত্রা। সেই যাত্রা মানুষ থামায় নি, থামবেও না। কিন্তু বদলে যাওয়ার গতি এতটাই বেগবান হয়েছে যে, একে আর ‘ধীর গতি’ বা বাতাসের ‘মৃদুমন্দ’ গতির সাথে তুলনা করা যাচ্ছে না। বিগত তিন দশক ধরে তথ্যপ্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে মানব সভ্যতা যে বেগে বিকশিত হচ্ছে তার তুলনা ইতিহাসে নেই। আর একারণেই এই বদলে যাওয়াকে আমরা কোন মতেই উপেক্ষা করতে পারব না।

সাহিত্য চর্চার মাধ্যম এই ‘বদল-ঝড়ের’ মুখে পড়েছে। মুদ্রণ-নির্ভর সাহিত্য চর্চার যে ধারা, তার বিকল্প মাধ্যম মুদ্রণ-সাহিত্যের ঘাড়ে বিষ-নিঃশ্বাস ফেলছে। এই বিকল্পকে (বদলকে) মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। আর এই বদলে যাওয়া মাধ্যমটাই হল ‘অন-লাইন’ মাধ্যম। বদলাতে যখন হবেই, তখন আসুন-না, একটু আগে-ভাগেই বদলাই।
 
তাছাড়া, অন-লাইন মাধ্যমের কিছু সুবিধাও আছে। ১) প্রতেক পাঠক লেখা পড়ার পর নিজস্ব মতামত জানানোর স্বাধীনতা পায়, মুদ্রণ-সাহিত্যে যা সবসময় পাওয়া যায় না। এতে পাঠক-লেখক কাছাকাছি আসতে পারেন দ্রুত এবং সহজেই। ২) পাঠকের ভৌগোলিক সীমানা সীমাহীন হয়ে যায়। ৩) পাঠক একই খরচে অনেক ম্যাগাজিন পাঠ করার সুযোগ পান। ৪) একই খরচেই তিনি জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনও মেটাতে পারেন।
 
‘বাংলা সাহিত্য’ এই অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কথাটাও মাথায় রেখেছে। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আম-বঙালির প্রয়োজনীয় সূলুক-সন্ধান দেওয়ার ব্রত নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে বাংলার সাহিত্যাকাশে। মুনাফা নয়, সাহিত্য চর্চার মুক্তাঙ্গন তৈরী করার লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করল ‘বাংলা সাহিত্য’। আপনরা সাথে থাকবেন - এই আশা নিয়েই শুরু করছি আমাদের দ্বিতীয় ভাবনা...>>>