সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রজন্ম বচন - কাজী মাসুদুর রহমান

প্রজন্ম বচন - কাজী মাসুদুর রহমান

কাঁচি মাসুদুর রহমানের ছড়া :  প্রজন্ম  বচন

মায়ের কোলে খোকন দোলে চাঁদ উঠেছে ঐ,
বাঁশ বাগানে জোনায় জ্বলে সেদিন গেল কৈ।
শ্লোক গাঁথায় হৃদয় কাঁদায় কাজলা দিদি নাই,
কোথায় গেলে শ্যামল কালো জোছনা আঁধার ভাই।

সেদিন গেছে কালের পিছে রুপ কথাদের গাঁয়,
পল্লী মায়ে অশ্রু বয়ে ডিজিটালে খায়।
এখন খোকন যখন তখন আঁচল ছিঁড়ে যায়,
কিসের খাওন কথন বচন মোবাইল কার্টুন চায়।

খোকার গড়ন আচার চলন সৃজন মানে না,
লেখা পড়ায় দামি ঘোড়ায় পিতায় মাতে না।
ক্ষেতের বাঁধে লাংগল কাঁধে মৃদু পায়ে বয়,
হায়রে জীবন!কিসে মরন?বৃদ্ধ পিতা কয়।

চাষের ফাঁকে স্মৃতি আঁকে একান্নতার মায়ায়
নকশিকাঁথায় মনটা কাঁদায় ভাই-বোনদের মেলায়।
পাকা ধানে উঠান পানে ভরা নদীর বাঁকে,
তালের পাখায় মনটা জুড়ায় গল্প কথার ঝাঁকে।

শ্যামা দোয়েল কোকিল কোয়েল বৌ-কথা কও বনে,
মায়ের গলায় ভুবন ভুলায় পুঁথি গীতি শুনে।
আকাশ পানে কষ্ট প্রাণে হৃদয় ভারে শোকে,
পথের সাথী সমব্যথি আশ্রমে জীবন ধোকে।
---------xx--------

মন্তব্যসমূহ

📚 ছড়াকার অনুযায়ী ছড়া খুঁজুন 🔍👈 এখানে ক্লিক করুন

আরও দেখান

📙 ছড়ার নাম অনুযায়ী খুঁজুন 🔍👈 এখানে ক্লিক করুন

আরও দেখান

============🔰 প্রধান সম্পাদকের কথা 🔰=============


আলী হোসেন
===================
প্রধান সম্পাদক,
বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন,
সমাজ বদলাবে - এটাই চিরন্তন। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই শুরু হয়েছে এই বদলে যাওয়ার যাত্রা। সেই যাত্রা মানুষ থামায় নি, থামবেও না। কিন্তু বদলে যাওয়ার গতি এতটাই বেগবান হয়েছে যে, একে আর ‘ধীর গতি’ বা বাতাসের ‘মৃদুমন্দ’ গতির সাথে তুলনা করা যাচ্ছে না। বিগত তিন দশক ধরে তথ্যপ্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে মানব সভ্যতা যে বেগে বিকশিত হচ্ছে তার তুলনা ইতিহাসে নেই। আর একারণেই এই বদলে যাওয়াকে আমরা কোন মতেই উপেক্ষা করতে পারব না।

সাহিত্য চর্চার মাধ্যম এই ‘বদল-ঝড়ের’ মুখে পড়েছে। মুদ্রণ-নির্ভর সাহিত্য চর্চার যে ধারা, তার বিকল্প মাধ্যম মুদ্রণ-সাহিত্যের ঘাড়ে বিষ-নিঃশ্বাস ফেলছে। এই বিকল্পকে (বদলকে) মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। আর এই বদলে যাওয়া মাধ্যমটাই হল ‘অন-লাইন’ মাধ্যম। বদলাতে যখন হবেই, তখন আসুন-না, একটু আগে-ভাগেই বদলাই।
 
তাছাড়া, অন-লাইন মাধ্যমের কিছু সুবিধাও আছে। ১) প্রতেক পাঠক লেখা পড়ার পর নিজস্ব মতামত জানানোর স্বাধীনতা পায়, মুদ্রণ-সাহিত্যে যা সবসময় পাওয়া যায় না। এতে পাঠক-লেখক কাছাকাছি আসতে পারেন দ্রুত এবং সহজেই। ২) পাঠকের ভৌগোলিক সীমানা সীমাহীন হয়ে যায়। ৩) পাঠক একই খরচে অনেক ম্যাগাজিন পাঠ করার সুযোগ পান। ৪) একই খরচেই তিনি জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনও মেটাতে পারেন।
 
‘বাংলা সাহিত্য’ এই অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কথাটাও মাথায় রেখেছে। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আম-বঙালির প্রয়োজনীয় সূলুক-সন্ধান দেওয়ার ব্রত নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে বাংলার সাহিত্যাকাশে। মুনাফা নয়, সাহিত্য চর্চার মুক্তাঙ্গন তৈরী করার লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করল ‘বাংলা সাহিত্য’। আপনরা সাথে থাকবেন - এই আশা নিয়েই শুরু করছি আমাদের দ্বিতীয় ভাবনা...>>>

বাংলা সাহিত্য : ছড়ার পাতার জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন

গদাধর সরকার : যে মেয়েটা

যে মেয়েটা : গদাধর সরকার গদাধর সরকারের ছড়া -  যে মেয়েটা যে মেয়েটা ছড়ায় সাগর পারুল চাঁপার মনে যে মেয়েটা খুশির খবর পাঠায় হলুদ বনে যে মেয়েটা ঘুরে বেড়ায় শিরিন নদীর বাঁকে যে মেয়েটা আপন মনে উদাস দুপুর আঁকে যে মেয়েটা ধুলো ওড়ায় কুসুম পুরের পথে যে মেয়েটা আবির ছড়ায় লাজুক মনের মঠে যে মেয়েটা সাহস জাগায় আশার প্রদীপ জ্বেলে যে মেয়েটা রামধনু মন । সরায় আঁধার ঠেলে যে মেয়েটা রূপকথা পুর । নুপুর পরে নাচে যে মেয়েটা সোহাগ দিয়ে ফোটায় কুঁড়ি গাছে যে মেয়েটা রোদের কুচি ছড়ায় নদীর কুলে যে মেয়েটা মনের আগল সদাই রাখে খুলে যে মেয়েটা শালুক ফুলের আদর ভালোবাসে যে মেয়েটা খুশির পালক ছড়ায় সবুজ ঘাসে যে মেয়েটা টগর, পলাশ, তিতির পুরের ছুটি যে মেয়েটা নদীর সাঁকো । বুনো হাঁসের জুটি যে মেয়েটা সাঁতার কাটে গাঁয়ের পুকুর ঘাটে যে মেয়েটা কাগজ কুড়োয় নিঝুম পুরের হাটে যে মেয়েটা ঝুমঝুমি ভোর, কেবল কাছে ডাকে সেই মেয়েটাই বাঁশি আমার । হৃদয় জুড়ে থাকে

দাড়ি দ্রিম দ্রিম - সৌমিত্র চক্রবর্তী

দাড়ি দ্রিম দ্রিম - সৌমিত্র চক্রবর্তী   সৌমিত্র চক্রবর্তী এর ছড়া কোনো দাড়ি খোঁচা খোঁচা কোনো দাড়ি লম্বা কোনো দাড়ি কুচিপুডি কোনো দাড়ি সাম্বা। কোনো দাড়ি সাদা কালো সরষের বাহারে কোনো দাড়ি ঘষে দিলে লোকে বলে বাবা রে! কোনো দাড়ি পলিটিক্স কোনো দাড়ি গুন্ডা কোনো দাড়ি টুকটাক থুতনির ফান্ডা। কোনো দাড়ি নূর আর কোনো দাড়ি চাইনিজ কোনো দাড়ি মেছো বাস ফ্রেঞ্চকাট গোয়ানিজ। কোনো দাড়ি ঘেমো ছি কোনো দাড়ি সেক্সি কোনো দাড়ি চাটগাঁর শুঁটকির ফ্লেক্সি। কোনো দাড়ি সোনা রং টিন এজ রেশমি কোনো দাড়ি ফিসফিস কুল বেবি কিস মি! কোনো দাড়ি হাইফাই লিমোজিন বস কে কোনো দাড়ি চোরাগলি ভয় পাওয়া ছিঁচকে। কোনো দাড়ি টিপটপ ফিল্মের ডায়ালগ কোনো দাড়ি অগোছালো কবিদের ক্যাটালগ। কোনো দাড়ি উগ্র কোনো দাড়ি শান্ত কোনো দাড়ি গিলে খায় বাপ্রে কে জানতো! দাড়ি কথা শেষ করে কার এত সাধ্যি চোদ্দয় পড়লেই মুখে দাড়ি বাদ্যি।

আকাশতলা - দীপ মুখোপাধ্যায়

আকাশতলা আকাশতলা - দীপ মুখোপাধ্যায় চোখ জুড়ানো আকাশতলা ছাউনি পাতায় ঢাকা পথ উজিয়ে ছবির মতন শিউলি টগর আঁকা দাপিয়ে বেড়ায় মাঠ-বেমাঠে সবজে ফড়িংগুলো দুধসাদা বক ঠোঁট বাড়িয়ে গুগলি-শামুক ছুঁল নকশি-কাঁথার থরবিথরে সুয্যি আলো ছড়ায় মাছ লাফালো তালপুকুরে হাঁসরা হেসে গড়ায় বনবাদাড়ে ঘাসপাতারা নরম হাওয়ায় দোলে নীলচে আকাশ ঠিক তখুনি মন রঙিয়ে তোলে তরতরিয়ে গিরগিটিটা ঝোপ ফুঁড়ে যায় ঝোপে এক নিমেষে যায় মিলিয়ে লতার ঘেরা টোপে কিচমিচিয়ে ছোট্ট পাখি খুটছে এটা ওটা পদ্মপাতায় ঝিকিয়ে ওঠে আলতো জলের ফোঁটা মনভোলানো রহস্যময় রঙ লেগেছে ফুলে মুখ বাড়িয়ে দেখছি মনের জানলা কপাট খুলে হাত ছানি দেয় দিব্যি ওরা কেউ বেশি কেউ কম মেঘ ছায়া রোদ এড়িয়ে যেতে পারব না একদম *****------*****

সতীশ বিশ্বাসের ২ ছড়াক্কা

সতীশ বিশ্বাসের ২ ছড়াক্কা  সতীশ বিশ্বাসের ছড়া জীবন যাদের কাছে হাট বা বাজার, জানে শুধু বেচা-কেনা, বোঝে শুধু লেনা-দেনা। বোন,বন্ধু, দিদি,ভাই, কোনই তফাত নাই। লোভে ভরা মগজটি বাদশা-রাজার। ডিগবাজি কী? করবে-রাজনীতি? খেতে পারো ডিগবাজি? বেশ, যদি পারো তবে আগে চেলা হতে হবে কোন এক মন্ত্রীর। রেখো সদা নতশির। তিনি যা কবেন, তাতে বলা চাই-‘হাঁজি’-‘হাঁজি’। -------xx-------

মনের কথা - অমরেশ বিশ্বাস

মনের কথা - অমরেশ বিশ্বাস অমরেশ বিশ্বাস মনটা যদি পাখা মেলে কে রাখে আর ধরে দরজা এঁটে তখন তাকে যায় না রাখা ঘরে। ফুড়ুৎ করে যায় সে উড়ে যেথায় যেতে চায় মনকে বেঁধে রাখবে কে চার দেওয়াল সীমানায়। উড়ে গিয়ে আকাশেতে পাখির সাথে ওড়ে সবুজ ঘাসের গালিচাতে লুটিয়ে সে পড়ে। মন চাইলে যায় সে উড়ে মেলে দিয়ে ডানা এমন সুযোগ পেলে মনে কে রাখে আর মানা। আকাশ তলে খালে বিলে খোলা মাঠের দেশে যেথায় আকাশ মাটির বুকে পরম স্নেহে মেশে মন চলে যায় সেইখানেতে সেথায় করে খেলা ফুল পাখিদের সাথে খেলে যায় কেটে তার বেলা। খোলা আকাশ খোলা বাতাস সেথায় মানা নাই ভরলে উড়ান মন বলে চল সেথায় চলে যাই। কোথাও না যাই চাও যদি তাই নাও মানা সব তুলে ঘরকে খোলা আকাশ ভেবে দুঃখ যাব ভুলে।

অজ্ঞতার দুঃখ - পবিত্র সরকার

অজ্ঞতার দুঃখ  - পবিত্র সরকার  পবিত্র সরকারের ছড়া কত কী যে জানা হল না জীবনে কত কী যে জানা বাকি রে কেন চোখ বুঁজে ঘুমাই আমরা কেন টাকে তেল মাখি রে কেন রাত হয় দিন শেষ হলে কেন রাত শেষে ভোর হয় কেন ভাত খেলে খুব ঘুম পায় কেন দুধ খেলে জোর হয় আমরা গরমে কেন ঘেমে মরি বাবুরা ঘুমোয় এসিতে কেন কে বড় তা নিয়ে ঝগড়া রোনালদো আর মেসিতে কেন হাতি বড় পিঁপড়েরা ছোট; উল্টোটা হলে কী হত ; রাজার যুদ্ধে কেন যে প্রজারা দলে দলে হয় নিহত খিদের জ্বালাতে আত্মহত্যা কেন যে করছে চাষিরা --- এই নিয়ে নাকি ফিশফিশ করে সবখানে পিসিমাসিরা কেন এই নিয়ে পৃথিবী ফাটেনা তার উত্তর খুঁজেছ? এ সবের আছে কী যে মানে,সেটা বুঝেছ? বলো কী বুঝেছ। ---------xx---------

বাজার - অমরেশ বিশ্বাস

বাজার - অমরেশ বিশ্বাস অমরেশ বিশ্বাস এর ছড়া :  বাজার বাজেরে গিয়ে হটাৎই যেন মাথাটা ঘুরে গেল পড়ে যেতে দেখেই সবাই দৌড়ে ছুটে এল। কী হয়েছে, কী হয়েছে, পড়ল কেমন করে? কেউ বলে, যা নিয়ে আয় তো ডাক্তারকে ধরে। কি হয়েছে, পড়ল কেন? জানা তা দরকার বাজারে এখন এমন ঘটনা ঘটছে যে আকছার। ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিল কেউ বা দিল হাওয়া কেউ জানতে চায় সকালে কী হয়েছে খাওয়া? ততক্ষনে ডাক্তার বাবু হাজির হলেন এসে “কী হয়েছে?” চান জানতে শুকনো হাসি হেসে। ডাক্তারকে তখন খুলে বলল আত্মারাম ভাবিনি হবে ডালের এমন আকাশ ছোঁয়া দাম। বলুন দেখি তেলের দাম কোথায় গেছে চড়ে এমন যদি দাম হয় তবে কে যাবে না পড়ে? মাছ, মাংসের দামের কথা আর বলতে চাইনে বলা মুশকিল ও সব জিনিস কত কাল যে খাইনে। রাজভোগ নয়, শুধু দু-মুঠো ডাল ভাতই তো চাই দাম দেখে তো, হচ্ছে মনে তা ও ভাগ্যে নাই। পাঁচশ টাকার কড়কড়ে নোট ফুরোয় নিমেষেতে কত না ঘাম হয় ঝরাতে এক খানা নোট পেতে। সব জিনিসের দাম বাড়ছে হোক সে আলু, পেয়াজ হয় না কেন মানুষের দাম বাড়ার কোন রেওয়াজ। ডাক্তার বাবু, বাজারে এলেই বাড়ে রক্ত চাপ ছাপোষা সব মানুষ গুলোর বাঁচাই যেন পাপ। -------xx------

দুইটি ছড়াক্কা - সুমী চট্টোপাধ্যায় দাস

দুইটি ছড়াক্কা - সুমী চট্টোপাধ্যায় দাস সুমি চট্টোপাধ্যায় দাস -  দুই ফারাক্কা ১) খরস্রোতা দেখব বলে নদীর ছোটা পৌঁছে গেলাম ফারাক্কা, খুব খুশিতে উছলে নদী বলল আমায়, এলিই যদি বলিস গিয়ে দামোদরে পাচ্ছে প্রচার ঘরে ঘরে বাদল-ভরা নদের মতো দুর্গাপুরের ছড়াক্কা৷ ২) শহীদ বুকের রক্ত ঢাললো যাঁরা স্বাধীনতার শ্বেতবেদীতে ভুললে তাঁদের চরম পাপ, নেই যে ক্ষমা, নেই যে মাপ, আত্মদানের ফুলবাগিচা গোলাপ ফোটায়, ব্যথার খোঁচা! স্মরণ করি, বরণ করি শহীদগণে শুদ্ধ চিতে৷

ক্রান্তি - দীপঙ্কর বর্মন

ক্রান্তি - দীপঙ্কর বর্মন দীপঙ্কর বর্মনের ছড়া -  ক্রান্তি আকাশ মাঝে বিষাণ বাজে যুদ্ধ-জাহাজ ক্ষুব্ধ সাজে ব‌ইছে জোয়ার গাঙে মানুষ কাঁদে মারণ-ফাঁদে উষ্ণায়ণের নিস্ব বাঁধে শব্দে পাহাড় ভাঙে বাড়ছে শোষণ শাসন কালে, তান্ত্রিকতার মৌন জালে, বুর্জয়াদের ছলে; লড়ছে কিষাণ নিশান তুলে, যৌক্তিকতার তন্দ্রা ভুলে, সর্বহারার দলে। করছে আদল মাতাল তাঁরে, বর্বরতার অন্ধকারে, ভ্রষ্টাচারীর সাজে; বাজছে মাদল এ ঘোর রণে, রক্তিমতায় চণ্ডঞ্জাণে, শিক্ষা দেবার কাজে। আসছে তূফান ভীষণ দুলে, মৌলিকতার ঝাণ্ডা তুলে স্বত্বাধিকার বলে; হাসছে গোপাল রাখাল ছেলে, মিথ্যাচারের পাণ্ডা কেলে, ব্যাঙ্গবিকার ছলে। ঐ তো আসে ক্ষুব্ধ রাতে, চণ্ডাকালীর খড়্গ হাতে, ভীমরণে ভীম সেনা; ঐ তো ভাসে প্রেক্ষাপটৈ, ভণ্ডাচারীর স্বার্থ বটে বাড়ছে দশের দেনা আসছে ধেয়ে আসছে গেঁয়ে, মৎস্য-জীবির নৌকা বেয়ে, অগাধ মনের বলে; আসছে সারে আসছে ভারে, মসনদের ঐ সিংহ দ্বারে, শ্রমিক-কৃষক-জেলে। ভূঁইতে আলো মনমাতালো, রং-বেরংয়ের সোলতে গুলো, ক্ষীন দোটানায় জ্বলে, নাই তো ভালো ধূম ছড়ানোয়, চোখ ধ়াধাঁনোয় ভূত ভাবানোয়, প্রাণবায়ু যায় চলে। হয়তো কেহ সেবায় ভোলে, দাম্ভিকতার ঠান্ডা ঘোলে, আচ্ছা প্রবীণ ...

কাকের বিয়ে - জুলফিকার শাহাদাৎ

কাকের বিয়ে জুলফিকার শাহাদাৎ  কাক গিয়েছে কোলকাতাতে সঙ্গে ছিল কোকিল, বলল কী কাক? শোন কোকিলা আমার বিয়ের উকিল... গঙ্গাপুরের এক কানিবক, বলবো তাকে গিয়ে, করতে এলাম বিয়ে। কোকিল বলল, আজ্ঞে, কোলকাতাতে ঘুরেফিরে কয়েকটা দিন যাকগে। এই সুযোগে খবর নেব কোথায় আছে ময়না? তাকে নিয়ে কিনতে হবে নতুন বউয়ের গয়না। কাক বলল, তাইরে কেনাকাটা করে না হয় গঙ্গাপুরে যাইরে। গঙ্গাপুরের উকিল বাবার পছন্দ খুব মিষ্টি খাবার তাই বলছি, দু’চার কেজি দই মিষ্টি নিসরে, কোকিল বলল, ইসরে! কোলকাতাতে ঘুরে ফিরে দই মিষ্টি নিয়ে কাক ও কোকিল হাজির হল গঙ্গাপুরে গিয়ে। গঙ্গাপুরে যাবার পর বক বলল, “কী খবর? ওহ, হ্যাঁ হ্যাঁ বুঝেছি, তোমার জন্য হন্যে হয়ে পাত্রী অনেক খুঁজেছি। ভাগ্য তোমার যা মন্দ কারোরই নও পছন্দ। দাও তো এবার ফি গো দেখবো ভেবে ভবিষ্যতে করতে পারি কী গো!” কী ঘটেছে তৎক্ষণাৎ বলছি শুনুন, অকস্মাৎ- মাথার উপর ভাঙল যেন হাঁড়ি, গোঁমড়া মুখে কাকটি তখন উড়াল দিল বাড়ি। ---------xx-------